![]() |
||
|---|---|---|
| প্রথম পাতা | লেখক পরিচিতি | |
|
|
অনিন্দিতা গুপ্ত রায়ঃ জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা মালদায়। কর্মসূত্রে জলপাইগুড়িতে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি। লিখছেন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। অমিত গুপ্তঃ বর্ষীয়ান এই লেখকের পরিচিতি কবি, লেখক ও মূলতঃ অনুগল্পের লেখক হিসেবে। বিভিন্ন পত্রিকায় লিখে চলেছেন, এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রন্থ। অমিতাভ কাঞ্জিলালঃ শিলিগুড়ির পরিচিত কবি, আবৃত্তিকার ও নাট্যকর্মী। কবিতা প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। পেশায় অধ্যাপক। অলোক গোস্বামীঃ বাড়ি শিলিগুড়িতে। পরিচিতি মূলতঃ গল্প লেখক হিসেবে। প্রকাশিত বহু গল্প বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। অশেষকুমার দাসঃ লেখকের নিজের ভাষায় বয়সের গাছ পাথর নেই। ব্যর্থতার অন্যতম উদাহরণ। অন্যতম শখ আড্ডা মারা। উত্তরবঙ্গীয় এই লেখক আড্ডার ফাঁকফোকরে তবু সিদ্ধহাতে রচনা করে ফেলেন গবেষণাধর্মী ও তথ্যসমৃদ্ধ বিশেষ রচনা পারিপার্শ্বিক নিয়ে। গবেষক, প্রাবন্ধিক অশেষ দাস একটি ছোট পত্রিকার সহসম্পাদক। আনোয়ার সাদাত শিমুলঃ শৈশব কেটেছে জন্মস্থান বাংলাদেশের চট্টগ্রামে। তারপর কৈশোরে পড়ালেখার সুত্র ধরে রাজধানী ঢাকায়। লেখক বলছেন, নাগরিক জীবনের দ্বৈতসত্ত্বায় অনুভব করি - মিছিলের মুখগুলোর পেছনে আছে অন্য চেহারা, অন্য সংকট। বিশ্বাস জন্মায় - মোহের শত অলিগলি এবং কার্বন বাতাস পেরিয়ে আমরা এক সময় আমাদের সূচনা বিন্দুতে ফিরে যাবো । সোডিয়াম আলোয় বিভ্রান্ত সময় এবং এ সময়কার মানুষদের জীবন নিয়ে মাঝে মাঝে টুকটাক গদ্য লেখা ব্যর্থ চেষ্টায়। লেখালেখি-ভাবনায় ভীষণভাবে মাসকাওয়াথ আহসানের প্রভাব রয়েছে। ব্যবসায় প্রশাসনের ছাত্র, জীবিকার টানে আপা তত: থাইল্যান্ডে। আর্যনীল মুখোপাধ্যায়ঃ জন্ম ও শিক্ষা দীক্ষা কোলকাতায়। পেশায় প্রযুক্তিবিদ ও নেশায় ভাষা-শিল্পী। তাঁর নিজের ভাষায়, সাঁতরাতে ভালবাসেন কবিতারই আশেপাশে। পরিচিত একটি অনলাইন বাংলা পত্রিকার সম্পাদক অনেককাল। এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ ও একটি গদ্য সংকলন। সম্পাদনা করেছেন ই-বুক। কাজি জহিরুল ইসলামঃ বাংলাদেশি কবি বর্তমানে পরবাসে। আছেন কবিতা যাপনে। গৌতম বিশ্বাসঃ বাড়ি শিলিগুড়িতে। মূলতঃ গল্প লেখক। ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে তিনটি কাব্যগ্রন্থ। গৌতম রায়ঃ শিলিগুড়ির বাসিন্দা ও পেশায় শিক্ষক। প্রাবন্ধিক, কবি ও উত্তরবঙ্গের একটি ছোট পত্রিকার সম্পাদনায় বেশ অনেক বছর। জয়শীলা গুহঃ বাড়ি জলপাইগুড়িতে। লিখছেন নিয়মিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। সরকারী স্কুলের শিক্ষিকা জয়শীলা আছেন কবিতা ও নাটকে। জাভেদ আকতারঃ বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে। প্রকৃতির সাথে নিবিড় বন্ধুতা তাঁর। স্বপ্ন আঁকেন কবিতায়। লিখছেন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বেশ কিছুদিন। দেবাশিস চক্রবর্তীঃ শিলিগুড়ির বাসিন্দা। প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী। লিখছেন বহু বছর। মূলতঃ গল্প লেখক। এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু গ্রন্থ। দীপায়ন ভট্টাচার্যঃ উত্তরবঙ্গীয় এই নাট্যকার ও পরিচালক পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। নেশা নাটক, নাটক এবং নাটক। নাট্যপ্রেমি মানুষদের প্রিয় 'চয়ন'দা আছেন সংস্কৃতির আবহে দৈনন্দিন। ভালবাসেন সঙ্গীত ও সাহিত্য। বাড়ি কুচবিহারে। দিলীপ তলয়ারঃ জন্ম ও বসবাস মালদায়। লেখালেখি শুরু সত্তর দশক থেকে। গ্রামীন ব্যাঙ্ক কর্মী। এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ। সম্পাদনা করেছেন গ্রন্থ ও পত্র-পত্রিকা। ভাষা-শিল্পে নিমগ্ন এই কবি নিজেকে খুঁজেছেন পৃথক অস্তিত্বে বহু কবিতায়। দেবাশীষ বাগচীঃ জন্ম শিলিগুড়িতে। পেশায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আধিকারিক। নেশা সাহিত্য, সুরা, ভ্রমন ও নিত্য বন্ধুত্বে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে বেশ কটি ছোটদের বই ও কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া প্রকাশিত একটি গল্প সংকলন । বিপুল দাসঃ জন্ম শিলিগুড়িতে। পেশা শিক্ষকতা। প্রিয় লেখক দেবেশ রায়, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী ও সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ। ভালবাসেন লোকসংগীত, শাস্ত্রীয় সংগীত। ডুয়ার্সের অরণ্য হাতছানি দেয় তাঁকে প্রতিনিয়ত। সহস্র প্রতিকূলতার মধ্যে টিঁকে থাকার রহস্য লিখতে প্রেরণা যোগায়, বলছেন তিনি। বিপ্লব সেনগুপ্তঃ পেশায় গ্রন্থাগার কর্মী। মালদার পরিচিত কবি বিপ্লবের কাব্যচর্চার শুরু নব্বই দশক থেকে। নিয়মিত লিখছেন বিভিন্ন পত্রিকায়। সম্পাদনার সাথে জড়িত এই কবি শুধু যে নিজে লিখছেন তাই নয় তরুন কবিদের উৎসাহ দিয়ে চলেছেন নিরলস। মৌসুমী মজুমদারঃ বাড়ি জলপাইগুড়িতে। অল্প দিনেই নিজের সাক্ষর রেখেছেন কবিতায় সিদ্ধহাতে। মূলতঃ নাট্যকর্মী। রিয়া ভট্টাচার্য্যঃ ভূগোল স্নাতক তৃতীয়বর্ষের ছাত্রী রিয়া আছেন কবিতা যাপনে। ছড়িয়ে চলেন স্বপ্ন কবিতায়। বসবাস মালদায়। রোহন কুদ্দুসঃ আন্তর্জালে একটি বাংলা ছোটপত্রিকার সম্পাদক। কবিতা ও গদ্যে তাঁর সমান দক্ষতা ইতিমধ্যেই প্রমানিত। প্রকাশ করেছেন ই-বুক। শিল্পী রোহন ক্যানভাসে তুলির টানেও সমান দক্ষ। শাহরিয়ার কবীরঃ বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক। পরিচিতি তাঁর সাহিত্য কীর্তির জন্যই শুধু নয় নির্ভীক সাংবাদিকতার জন্যও। বিরাগভাজন হয়েছেন সরকারী পৃষ্ঠপোষকদের বহুবার। কলম কে হাতিয়ার করে এগিয়ে চলেছেন তবু, সেদিনও এবং আজও ---। শিবাশীষ রায়ঃ কোলকাতা নিবাসি এই লেখক বর্তমানে কর্মরত টেলিভিশনে। পুনা ফিল্ম ইষ্টিট্যুটের 'চলচ্চিত্র পরিচালনা'য় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। নেশা লেখালেখি ছাড়াও আরও অনেক কিছু - কী নয় - জানা নেই। বিশেষ নেশা নদীর চরে বসে লেখালেখি। শুভময় সরকারঃ বাড়ি শিলিগুড়িতে। নিজের সাহিত্যচর্চা ছাড়াও সম্পাদনার সাথে যুক্ত বহুদিন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর লেখা। পেশা শিক্ষকতা। শুভেন্দু পালঃ জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা মালদায়। লেখালেখির শুরু স্কুল জীবন থেকে। মূলতঃ কবিতা, পাশাপাশি ছোটগল্প। লেখা প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু বড় ও ছোট ম্যাগাজিনে। ইতিমধ্যে একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত। পেশা শিক্ষকতা। সমর চক্রবর্তীঃ ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বাস করেন শিলিগুড়িতে। সংস্কৃতিমনস্ক এই কবি ও লেখকের বহূ রচনা প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। সাধন পালঃ বাড়ি কুচবিহারে। একান্ত ভালবাসা সাহিত্য। লেখালেখি ও সম্পাদনায় আছেন বেশ কিছুদিন। সুচেতা মিশ্রঃ জন্ম মালদায়। নিবিড় সাহিত্যপ্রেমি। সুদীপ্ত দাসঃ বাড়ি মালদায়। কলা বিভাগে একাদশ শ্রেণির ছাত্র। কবিতা লেখার শুরু খুব ছোটবেলায়, অধুনা প্রচেষ্টায় আছেন আত্মিকভাবে নিজেকে খুঁজে পেতে নিতে বাংলা সমসাময়িক কবিতায়।
|
|